ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ছেলেকে পেটানোর পর মাকে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ স্বজনদের Logo পীরগঞ্জ ওসির ফোন নম্বর ক্লোন করে প্রার্থীদের কাছে চাঁদা দাবি, ফেসবুকে ওসির সর্তক পোস্ট Logo রাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দায়িত্ব হারালেন ঠাকুরগাঁওয়ের এক প্রিজাইডিং কর্মকর্তা… Logo তীব্র গরম উপেক্ষা করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা Logo ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়ায় জিংক সমৃদ্ধ চালের উপকারিতা বিষয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান Logo ঠাকুরগাঁওয়ে টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা Logo বালিয়াডাঙ্গীতে বিদুৎপৃষ্ঠে কলেজছাত্রের মৃত্যু Logo ঠাকুরগাঁওয়ে বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের এক্সরে মেশিনটি প্রায় ১৫ বছর ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে Logo ঠাকুরগাঁওয়ে নিবির হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ Logo তাহিরপুরে স’ মিলে আগুন; কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
জনপ্রিয় দৈনিক আজকের ঠাকুরগাঁও পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম... উত্তরবঙ্গের গণমানুষের ঠিকান এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশ জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক আজকের ঠাকুরগাঁও এর জন্য, দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজে একযোগে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আপনি যদি সৎ ও কর্মঠ হোন আর অনলাইন গনমাধ্যমে কাজ করতে ইচ্ছুক তবে আবেদন করতে পারেন। আবেদন পাঠাবেন নিচের এই ঠিকানায় ajkerthakurgaon@gmail.com আমাদের ফেসবুল পেইজঃ https://www.facebook.com/ajkerthakurgaoncom প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন মোবাইল : ০১৮৬০০০৩৬৬৬

ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুরে চরম দুর্দিনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাঁশ মালী পরিবারের সদস্যরা

মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
  • / 10
আজকের ঠাকুরগাঁও অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

,চরম সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করছে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বাঁশ মালী পরিবারগুলো। পরিবার পরিজন নিয়ে ২৫টি ভূমিহীন পরিবারের প্রায় শতাধিক মানুষ রয়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। দিন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা। বাঁশ মালী করে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করছেন এ সম্প্রদায়ের মানুষ জন। সরেজমিনে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বামুনদিঘীর পাড়ে এই পরিবারগুলোর বসবাস।

১৯৭৫ সাল থেকে এখানে তারা কুড়েঘর ও ছাপড়া বানিয়ে জরাজীর্ণ পরিবেশে দিনাতিপাত করছে। এই পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর, যাদের বংশানুক্রমে পেশায় বাঁশ মালী। আর ৭টি পরিবার হচ্ছে আদিবাসী। কৃষিকাজ বা চাষাবাদের জন্য তাদের নিজস্ব কোনো জায়গা-জমি নেই। বাঁশ মালী, দিনমজুর আর শ্রমিকের কাজ করে চলে তাদের সংসারের ঘানি। পুকুর পাড়ে বসবাসকারী বিভোতি রানী (৫৫), সরলা দাস (৭০), বুধু হেমরম (৬০), লক্ষ্মী মারডি (৮০)সহ বেশ কয়েকজন নারী সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমরা এখানে ৪৯ বছর ধরে বসবাস করে আসছি। পেশায় আমরা বাঁশ মালী। হাটবাজার ও গৃহস্থের বাড়ি থেকে বাঁশ কিনে বাড়িতে কৃষিকাজের ব্যবহৃত টোকরি, কুলা, ঢাকি, ডালি, হাতপাখা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে যে টাকা পাই তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করি।

বর্তমানে প্লাস্টিকের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের পণ্যের কদর কমে গেছে। বাঁশও পাওয়া যায় না তেমন আবার দামও বেশি। এ অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আরও বলেন, আমরা সরকারি সুযোগ-সুবিধাও তেমন পাই না। আমাদের খোঁজখবর কেউ রাখে না। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ি ও জমি পাওয়ার জন্য আমরা ইউএনও স্যারের নিকট গিয়েছিলাম, কিন্তু আমরা বাড়ি পাইনি। এলাকার বিভিন্ন জায়গায় খাসজমি ও পুকুর পাড়ে যারা বসবাস করছিল, তারা সকলেই বাড়ি ও জমি পেলে আমরা কেন পাব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বার্তা সম্পাদক

দৈনিক আজকের ঠাকুরগাঁও এর বার্তা সম্পাদক
ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুরে চরম দুর্দিনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাঁশ মালী পরিবারের সদস্যরা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

,চরম সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করছে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বাঁশ মালী পরিবারগুলো। পরিবার পরিজন নিয়ে ২৫টি ভূমিহীন পরিবারের প্রায় শতাধিক মানুষ রয়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। দিন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা। বাঁশ মালী করে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করছেন এ সম্প্রদায়ের মানুষ জন। সরেজমিনে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বামুনদিঘীর পাড়ে এই পরিবারগুলোর বসবাস।

১৯৭৫ সাল থেকে এখানে তারা কুড়েঘর ও ছাপড়া বানিয়ে জরাজীর্ণ পরিবেশে দিনাতিপাত করছে। এই পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর, যাদের বংশানুক্রমে পেশায় বাঁশ মালী। আর ৭টি পরিবার হচ্ছে আদিবাসী। কৃষিকাজ বা চাষাবাদের জন্য তাদের নিজস্ব কোনো জায়গা-জমি নেই। বাঁশ মালী, দিনমজুর আর শ্রমিকের কাজ করে চলে তাদের সংসারের ঘানি। পুকুর পাড়ে বসবাসকারী বিভোতি রানী (৫৫), সরলা দাস (৭০), বুধু হেমরম (৬০), লক্ষ্মী মারডি (৮০)সহ বেশ কয়েকজন নারী সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমরা এখানে ৪৯ বছর ধরে বসবাস করে আসছি। পেশায় আমরা বাঁশ মালী। হাটবাজার ও গৃহস্থের বাড়ি থেকে বাঁশ কিনে বাড়িতে কৃষিকাজের ব্যবহৃত টোকরি, কুলা, ঢাকি, ডালি, হাতপাখা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে যে টাকা পাই তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করি।

বর্তমানে প্লাস্টিকের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের পণ্যের কদর কমে গেছে। বাঁশও পাওয়া যায় না তেমন আবার দামও বেশি। এ অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আরও বলেন, আমরা সরকারি সুযোগ-সুবিধাও তেমন পাই না। আমাদের খোঁজখবর কেউ রাখে না। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ি ও জমি পাওয়ার জন্য আমরা ইউএনও স্যারের নিকট গিয়েছিলাম, কিন্তু আমরা বাড়ি পাইনি। এলাকার বিভিন্ন জায়গায় খাসজমি ও পুকুর পাড়ে যারা বসবাস করছিল, তারা সকলেই বাড়ি ও জমি পেলে আমরা কেন পাব না।